আপনার হজম ক্ষমতা বাড়ানোর ১০টি কার্যকর উপায়

আপনার হজম ক্ষমতা বাড়ানোর ১০টি কার্যকর উপায়

  • 19 Oct 2024
  • Best Doctor List

কখনও ভেবে দেখেছেন যে, আপনি খাওয়ার পর সেই খাবার থেকে কতটা পুষ্টি পাচ্ছেন? হজমশক্তি ভালো থাকলে আমরা খাবার থেকে পুষ্টি উপাদান পুরোপুরি শোষণ করতে পারি এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে পারি। কিন্তু বর্তমান সময়ে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভুগছেন। 

আসলে হজমের সমস্যা শুধু অস্বস্তিই দেয় না, বরং এটি আমাদের শরীরে অনেক রোগের জন্ম দিতে পারে। তাই, আমাদের সবার জন্য হজমশক্তি বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি একটা বিষয়।

সেজন্য আজকে আমি আপনার সাথে হজমশক্তি বাড়ানোর কয়েকটি সহজ এবং কার্যকর উপায় শেয়ার করবো। যে উপায় গুলো অনুসরণ করে আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন এবং দৈনন্দিন জীবনকে আরও উপভোগ করতে পারবেন।

হজমশক্তি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

হজমশক্তি ভালো থাকলে আমাদের শরীর খাবার থেকে পুষ্টি উপাদান গুলো কে পুরোপুরি শোষণ করতে পারে। এই পুষ্টি উপাদান গুলো আমাদের শরীরকে সক্রিয় রাখতে, কোষ তৈরি করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

খাবার থেকে প্রাপ্ত শক্তি আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে সাহায্য করে। হজমশক্তি ভালো থাকলে শরীর এই শক্তিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে। হজমতন্ত্র সুস্থ থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও ভালো থাকে। কারণ, আমাদের শরীরের ৭০% রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্ত্রে অবস্থিত।

অপরদিকে হজমের সমস্যা অনেক সময় মানসিক অবসাদ, উদ্বেগ এবং অন্যান্য মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করে। কিন্তুু হজমশক্তি ভালো থাকলে সেটি আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হিসেবে কাজ করে। হজমশক্তি ভালো থাকলে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ক্যান্সার এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

হজমশক্তি কমে গেলে কী হয়?

হজমশক্তি কমে যাওয়া একটি সাধারণ সমস্যা, যা আমাদের স্বাস্থ্যের উপর বিভিন্নভাবে প্রভাব ফেলে দেয়। খাবারকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে শরীরকে সক্রিয় রাখতে হজমশক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু যখন এই প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হয়, তখন শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। আসুন জেনে নেই হজমশক্তি কমে গেলে আমাদের শরীরে কী কী পরিবর্তন ঘটে।

1-পুষ্টির ঘাটতি

হজমের সমস্যা হলে আমাদের শরীর খাবার থেকে পুরোপুরি পুষ্টি উপাদান শোষণ করতে পারে না। ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের ঘাটতি দেখা দেয়। যা দুর্বলতা, অ্যানিমিয়া, ত্বকের সমস্যা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

2-ওজন বৃদ্ধি

আমরা অনেকেই মনে করি যে, হজমের সমস্যা হলে ওজন কমে যায়। কিন্তু আসলে ঘটনাটা এর উল্টো। কেননা, হজমের সমস্যা হলে শরীর খাবার থেকে পুরোপুরি শক্তি পায় না। ফলে শরীরে শক্তির জন্য চর্বি জমতে শুরু করে এবং ওজন বৃদ্ধি পায়। এছাড়া, হজমের সমস্যা অনেক সময় খিদে বাড়িয়ে দিতে পারে, যা ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয়।

3-অ্যালার্জি

হজমের সমস্যা অনেক সময় খাবারের প্রতি অ্যালার্জি বা অসহিষ্ণুতার মূল কারণ হয়ে পড়ে। যখন আমাদের শরীর কোনো নির্দিষ্ট খাবারকে ভালোভাবে হজম করতে পারে না, তখন তা অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে দেয়। যা ফুসকুড়ি, চুলকানি, পেট ফাঁপা এবং অন্যান্য লক্ষণ সৃষ্টি করে।

4-মানসিক সমস্যা

হজমের সমস্যা শুধু শারীরিক স্বাস্থ্যকেই প্রভাবিত করে না, বরং এটি মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলে। দীর্ঘদিন ধরে হজমের সমস্যা থাকলে উদ্বেগ, হতাশা এবং ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও, সামাজিক জীবনেও এর প্রভাব বেশ লক্ষনীয়।

হজমশক্তি কমে যাওয়ার কারণ

আপনি জানলে অবাক হবেন কারণ, আমাদের হজমশক্তি কমে যাওয়ার ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায়। আসুন জেনে নেই, হজমশক্তি কমে যাওয়ার পেছনে কী কী কারণ লুকিয়ে থাকতে পারে। আর এই কারণ গুলো জানলে আমরা হজমের সমস্যা দূর করার উপায় গুলো খুব সহজে খুজে বের করতে পারবো। 

01অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসঅতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার, মশলাদার ও প্রক্রিয়াজাত খাবার, কার্বনেটেড পানীয়।
02অনিয়মিত খাওয়াখুব কম বা খুব বেশি খাওয়া, খাবারের মধ্যে দীর্ঘ বিরতি নেওয়া।
03মানসিক চাপমানসিক চাপ হজমের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
04ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াকিছু ঔষধ যেমন, পেইনকিলার, অ্যান্টিবায়োটিক ইত্যাদি হজমের সমস্যা সৃষ্টি করে।
05পর্যাপ্ত পানি পান না করাযথেষ্ট পরিমাণে পানি না পান করলে খাবার ভালোভাবে হজম হতে পারে না। 
06অন্যান্য কারণআলসার, ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS), অন্ত্রের সংক্রমণ, খাদ্য অ্যালার্জি ইত্যাদিও হজমের সমস্যা সৃষ্টি করে।

হজমের সমস্যা দূর করার উপায়

হজমের সমস্যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে বিঘ্নিত করে এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার দিকে ধাবিত করে। তাই আমাদের সবার হজমশক্তি বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। আসুন জেনে নেই হজমের সমস্যা দূর করার উপায় গুলো সম্পর্কে। 

১| আঁশযুক্ত খাবার খান

আঁশ হলো উদ্ভিদ খাবারের একটি অংশ যা আমাদের শরীর হজম করতে পারে না। তবে, এটি আমাদের হজম ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আঁশ আমাদের অন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে, মলকে নরম করে এবং সহজে পায়খানা করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, আঁশ রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে, ওজন কমাতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

কোন খাবারে আঁশ পাওয়া যায়?

  • আপেল, পেয়ারা, কলা, কমলা, আঙ্গুর ইত্যাদি।
  • পালং শাক, ব্রোকলি, গাজর, টম্যাটো, বাঁধাকপি ইত্যাদি।
  • বাদাম, বাদাম, কাজুবাদাম ইত্যাদি।
  • চিয়া সিড, ফ্লাক্স সিড, তিল ইত্যাদি।
  • বাদাম, ওটস, ব্রাউন রাইস ইত্যাদি।

২| প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন

আমাদের শরীর খাবার হজম করার সময় বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ তৈরি করে। পানি এই বিষাক্ত পদার্থকে দ্রুত শরীর থেকে বের করে দেয়। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে মল নরম হয় এবং সহজে বের হয়ে আসতে পারে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়। 

পানি হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে এবং খাবারের পুষ্টি উপাদান শরীরে শোষণে সাহায্য করে। পানি শরীরের মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে ক্যালরি দ্রুত পুড়ে যায় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাই একজন স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিকে দিনে কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করতে হয়। 

৩| প্রোবায়োটিক খাবার খাবেন

আমাদের অন্ত্রে ভালো এবং খারাপ দুই ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে। ভালো ব্যাকটেরিয়া গুলোকে বলা হয় প্রোবায়োটিক। যখন খারাপ ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বেড়ে যায়, তখন হজমের সমস্যা শুরু হয়। তবে প্রোবায়োটিক খাবার খেলে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ে এবং খারাপ ব্যাকটেরিয়াকে দমন করে। ফলে হজমশক্তি বাড়ে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

কোন খাবারে প্রোবায়োটিক পাওয়া যায়?

  • দই
  • সর
  • কেফির
  • সাইডার সিরকা

৪| ঘন ঘন খাবার খাবেন

একবারে অনেক খাবার খেলে হজমতন্ত্র অতিরিক্ত চাপ পায়। ফলে হজমে সমস্যা হতে পারে। তবে ঘন ঘন খাবার খেলে হজমতন্ত্রকে কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়। আবার একবারে অনেক খাবার খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায় এবং তারপর হঠাৎ কমে যায়। এতে ইনসুলিনের মাত্রাও বেড়ে যায় এবং শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর ঘন ঘন করে খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকে।

৫| ধীরে ও ভালো করে চিবিয়ে খাবেন

যখন আমরা খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাই, তখন খাবার ভালোভাবে ভেঙে যায়। এর ফলে আমাদের শরীর খাবার থেকে পুষ্টি উপাদানগুলো সহজে শোষণ করতে পারে। আর খাবার চিবানোর সময় লালা গ্রন্থি থেকে লালা নিঃসৃত হয়। লালা খাবারকে ভিজিয়ে তোলে এবং দ্রুত হজমে সাহায্য করে।

মনে রাখবেন, ধীরে ও ভালোভাবে চিবিয়ে খাওয়ার ফলে আমরা কম খাবার খেয়েও পেট ভরা অনুভব করি। এতে অতিরিক্ত খাওয়া এড়ানো যায়। যা আমাদের কিছু পরিচিত হজমের সমস্যা যেমন অম্বল, গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি কমাতে সাহায্য করে।

৬| স্ট্রেস কমিয়ে ফেলুন

যখন আপনি চাপে থাকেন, তখন আপনার শরীর কর্টিসল হরমোন নিঃসরণ করে। এই হরমোন হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয় এবং অন্ত্রে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চাপের সময়, আপনার শরীরের রক্ত প্রবাহ পরিবর্তিত হয় এবং হজমতন্ত্রে রক্তের পরিমাণ কমে যায়। এছাড়াও অতিরিক্ত মানসিক চাপের সময় অনেকেই খাবারের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন বা খাওয়া বন্ধ করে দেন। এই দুইটিই হজমের সমস্যা বাড়াতে পারে।

৭| শারীরিক পরিশ্রম করুন

যখন আমরা ব্যায়াম করি, তখন আমাদের শরীরের পেশীগুলো সক্রিয় হয়। এর ফলে অন্ত্রের পেশী গুলো আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং খাবার হজমের জন্য প্রয়োজনীয় গতিশীলতা বাড়ায়। ব্যায়াম মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে। মেটাবলিজম বাড়লে খাবার দ্রুত হজম হয় এবং শরীরে চর্বি জমার সম্ভাবনা কমে যায়। 

৮| ক্যাফিন এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন

আমরা অনেকেই কফি, চা বা কোলা পান করতে ভালোবাসি। এই পানীয় গুলোতে থাকা ক্যাফিন আমাদের শরীরে পানি শোষণ কমিয়ে দেয় এবং অন্ত্রের সংকোচন বাড়িয়ে দেয়। ফলে, আমাদের হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে, অ্যালকোহল আমাদের লিভারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং হজমের রস উৎপাদন কমিয়ে দেয়। ফলে, আমরা পেট ফাঁপা, বমিভাব এবং ডায়রিয়া দেখা দেয়।

৯| নির্দিষ্ট খাবার এড়িয়ে চলুন

খাদ্যাভ্যাস আমাদের স্বাস্থ্যের উপর গভীর প্রভাব ফেলে। হজমশক্তি বাড়ানোর জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা খুবই জরুরি। তবে নির্দিষ্ট কিছু খাবার এড়িয়ে চলা এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া শুরু করলে আপনি অবশ্যই হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

আমাদের খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাত্রা এবং মানসিক চাপের কারণে হজমশক্তি কমে যেতে পারে। অতিরিক্ত মশলাদার, চর্বিযুক্ত এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া, অপর্যাপ্ত পানি পান এবং স্ট্রেস হজমের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে।

১০| ডাক্তারের পরামর্শ নিন

হজমের সমস্যার পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। কোনো সাধারণ খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন থেকে শুরু করে গুরুতর রোগ পর্যন্ত হতে পারে। তাই, নিজে নিজে কোনো ওষুধ খাওয়া বা ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করার আগে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কারণ, ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে আপনার হজমের সমস্যার সঠিক কারণ শনাক্ত করতে পারবেন। আর কারণ শনাক্ত হওয়ার পরে ডাক্তার আপনার জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন। অনেক সময় হজমের সমস্যা অন্য কোনো গুরুতর রোগের লক্ষণ হতে পারে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার মাধ্যমে আপনি এই ধরনের জটিলতা প্রতিরোধ করতে পারবেন।

অধ্যাপক ডাঃ কানু বালা


লিভার, মেডিসিন ও পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস, পিএইচডি (ঢাবি), পিএইচডি (ইউএসটিসি) এফআরসিপি (ডাবলিন), এফআরসিপি (এডিনবার্গ) ফেলো অব আমেরিকা কলেজ অব প্যাসট্রোএন্টারোলজি
প্রফেসর, ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স এন্ড টেকনোলোজি (ইউএসটিসি)
চেম্বারের ঠিকানা: ১,২,৩, বিএনএসবি ভবন, কলওয়ালাপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬ । (সনি সিনেমা হলের বিপরীতে)

সিরিয়াল ও ইনফরমেশন এর  জন্য কল করুন - 01902991500 (সকাল ১০:০০ টা হতে রাত  ০১০:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)।


 

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ অমিতাভ বনিক


(বাত ব্যথা, প্যারালাইসিস, স্ট্রোক, স্পোটর্স ও রিহ্যাবঃ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ)

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), সিসিডি (বারডেম), এফসিপিএস

সহকারী অধ্যাপক, ফিজিক্যাল মেডিসিন এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল, ঢাকা। 

সিরিয়াল ও ইনফরমেশন এর  জন্য কল করুন - 01902991500 (সকাল ১০:০০ টা হতে রাত  ০১০:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)।


 

আপনার জন্য আমাদের কিছুকথা

এই আর্টিকেলে হজমের সমস্যা দূর করার উপায় গুলো শেয়ার করা হয়েছে। যদি আপনি দীর্ঘদিন থেকে হজমের সমস্যায় ভুগেন তাহলে আজকের শেয়ার করা হজমের সমস্যা দূর করার উপায় গুলো মেনে চলার চেষ্টা করবেন। তবে অতিরিক্ত হজমের সমস্যা হলে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের শরনাপন্ন হবেন। আর নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ, ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।।